গর্ব করি, আমি একজন আইটি ব্যবসায়ী : মোস্তাফা জব্বার
তিনি বলেন, করোনাসময়ে কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশে ডিজিটাল জীবনযাত্রার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। এটি এখন শহর থেকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলার যোগ্যতা রাখি। সক্ষমতা, সাহস ও মনোবল আমাদের পুঁজি।করোনা আমাদের থামিয়ে দিতে পারেনি। বরং এগিয়ে নিয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা যারা আইটি ব্যবসায়ী তারা সচেতন না থাকলে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন বাস্তবায়ন এতো সহজে হতো না। কম্পিউটারের ব্যাকগ্রাউন্ড ছাড়াই এদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যে উন্নয়ন হয়েছে তা ইতিহাসের অংশ হবে।মন্ত্রী বলেন, বিদেশী কোটি টাকার সফটওয়্যার লাখ টাকায় তৈরি করছে দেশের ছেলেরাই। ব্লকচেইন দিয়েও মোবাইল অপারেটর ছাড়াও কথা বলার পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে। এখন চ্যালেঞ্জটা আরো বড় হয়েছে। মাউস আর কি-বোর্ড চিনিয়ে দিলেই হবে না। আইওটি, ব্লকচেইন, আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স, রোবটিক্স, বিগডাটা ইত্যাদি বিষয় শিখিয়ে দিতে হবে- যোগ করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বাংলাদেশে কম্পিউটার সমিতির দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের অধীনে এই ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণে প্রায় দুইশ’র মতো প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন। বিসিএস সভাপতি শাহিদ-উল মুনীরের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন সংগঠনের মহাসচিব মনিরুল ইসলাম, সহসভাপতি জাবেদুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মো. মুজাহিদ আল বেরুনী, কোষাধ্যক্ষ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া এবং পরিচালক মোশারফ হোসেন ও মো. রাশেদ আলীসহ সংগঠনের সাধারণ সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।







